এক লাখ টন কয়লা আমদানির সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ২:৩০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০১৮

সরকার এক লাখ টন কয়লা আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিমিয় শেষ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সরকার এক লাখ টন কয়লা আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এ জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। তবে কোন দেশ থেকে কয়লা আনা হচ্ছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও ঠিক হয়নি। টেন্ডার দিয়েছি। পরে জানা যাবে কোন দেশ থেকে আনা হবে।

দিনাজপুরের কয়লাখনির প্রসঙ্গে নসরুল হামিদ বলেন, খনিতে যে কোনো সমস্যা হতে পারে। আপদকালীন মজুদ হিসেবে এ কয়লা আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এ বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। তবে পুরোপুরি চালু হতে অক্টোবর লেগে যাবে।

এনএলজি আমদানির ফলে বিদ্যুতে সরকার ভর্তুকি বাড়াবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এনএলজি আমদানির ফলে বিদ্যুতে ভর্তুকি বাড়বে না এবং বিদ্যুতের দামও সহনীয় থাকবে।
বিদ্যুতের দাম কমানো হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বার্ক) ওপর নির্ভর করে।

আমরা আমাদের প্রস্তাব দিয়ে রেখেছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের ওপর যেন কোনো চাপ না পড়ে সেদিকে নজর রেখেই আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। শেখ হাসিনার সরকার জনবান্ধব সরকার। কাজেই জনগণের চাপ হয় এমন সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা চুরির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে যে কয়লা চুরি হয়েছে তা ২০০৫ সাল থেকে শুরু হয়েছে। এটি দুদিনে ঘটেনি।

‘যে পরিমাণ কয়লা চুরি হয়েছে তা বহন করে নিতেও ৩০ হাজার ট্রাক লেগেছে। ভাগ্য ভালো যে শেখ হাসিনা সরকারের সময় এটি ধরা পড়েছে। শেখ হাসিনা সরকার যে কোনো দুর্নীতি বরদাশত করে না তার প্রমাণ এটি।’বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে না গেলে চুরির বিষয়টি আমরা জানতাম না বলে মন্তব্য করেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।


ad