অবশেষে নিজের ভুল স্বীকার করলেন ট্রাম্প

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১১:১২:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০১৮

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি শুরু থেকেই ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ স্বীকারোক্তি দেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সেনা পাঠানো ওয়াশিংটনের উচিত হয়নি এবং এটি আমেরিকার ইতিহাসের এক মস্তবড় ভুল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরো বলেন, তিনি সার্বক্ষণিকভাবে আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এই দুই অঞ্চলের ব্যাপারে মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগেও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতির সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, গত ‌১৭ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাবদ ওয়াশিংটনকে সাত ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতি মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ ছাড়া আর কিছু বয়ে আনেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে দেশটির মধ্যপ্রাচ্য নীতির সমালোচনা করে দেয়া বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে, এ অঞ্চলে আমেরিকার প্রকৃত খরচ সাত ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে অনেক বেশি। এ ছাড়া, এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ করে মার্কিন জনগণের কোনো লাভ হয়নি।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারে তার দেশের সাবেক প্রশাসনগুলোর সমালোচনা করলেও তিনি নিজে আগামী ২০১৯ অর্থ বছরের জন্য উত্তর কোরিয়া ও ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে তিন কোটি ৬০ লাখ ডলার অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।

‘ইউরোপ, চীন ও কানাডাও আমেরিকাকে বিশ্বাস করে না’

ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, আমেরিকার প্রতি ইরানের কোনো ধরণের আস্থা নেই এবং ইউরোপ, চীন ও কানাডাও আমেরিকাকে বিশ্বাস করে না। আজ (মঙ্গলবার) প্রতিরক্ষা শিল্প বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেছেন।

রুহানি বলেন, আমেরিকা যাতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে না পারে সে লক্ষ্যে একটি আইন পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস। কারণ তারা এটা ভালো করেই জানে যে, ইরান হচ্ছে শক্তিধর একটি দেশ। ইরানে হামলা করলে এজন্য তাদেরকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, শত্রুরা যাতে হামলার দুঃসাহস দেখাতে না পারে সে লক্ষ্যে ইরান সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় এ ধরণের প্রস্তুতি অক্ষুন্ন রাখতে হবে। তবে ইরান সব সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রস্তুতির উদ্দেশ্য হচ্ছে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা।

রুহানি আরও বলেছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রস্তুতি ও শক্তি না থাকার অর্থ হলো যুদ্ধের দিকে যাওয়া এবং শত্রুকে আগ্রাসনের সুযোগ দেওয়া।