এক বছরে রেলের লোকসান ১৮৫২ কোটি, বিআরটিসির ৪৭৩ কোটি টাকা

প্রকাশিত: ৫:০৬ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৮ | আপডেট: ৫:০৬:অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৮

রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিট লোকসান ছিল ১ হাজার ৮৫২ কোটি ৯৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। ওই অর্থবছরে রেলের আয় ছিল ১ হাজার ২৮৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। আর ব্যয় ছিল ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সাংসদ মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন। আজ রোববার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সরকারি দলের সদস্য মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়েতে যাত্রী পরিবহন উত্তরোত্তর বাড়ছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে যাত্রী ছিল ৬ কোটি ৪৯ লাখ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল ৬ কোটি ৭৩ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭ কোটি ৮০ হাজার এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যাত্রী ছিল ৭ কোটি ৭৮ লাখ।

সরকারি দলের সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানান, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয় জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের রেলপথ স্থাপনে ভৌত নির্মাণকাজ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে শুরু হবে বলে আশা করা যায়। রেলপথে ঢাকা অংশের স্টেশনগুলো হলো ঢাকা, গেন্ডারিয়া, কেরানীগঞ্জ, নিমতলা, শ্রীনগর, মাওয়া। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। মেয়াদ শেষে স্টেশনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

যথাসময়েই রাজধানীবাসী মেট্রোরেল পাবেন: কাদের

সরকারি দলের সাংসদ মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্পের মেয়াদ ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, টার্গেট মোতাবেক রাজধানীবাসী মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবে।

জাতীয় পার্টির সাংসদ সেলিম উদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০৭-০৮ অর্থবছর থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিআরটিসি অপারেটিং লাভে ছিল। কিন্তু নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ফলে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিআরটিসিতে ৪৭৩ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।